পিত্তরস কি? বিভিন্ন প্রকার রসের কাজগুলো কী কী?

পিত্তরস ক্ষার জাতীয় তরল পদার্থ। এতে কোন এনজাইম থাকে না। পিত্তরসের সোডিয়াম বাইকার্বনেট উপাদানটি পাকস্থলি থেকে আগত HCl-কে প্রশমিত করে ক্ষারীয় পরিবেশ সৃষ্টি করে যা ক্ষুদ্রান্ত্রে বিভিন্ন এনজাইমের কার্যকারিতার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন। পিত্তরসে অবস্থিত পিত্তলবণের প্রভাবে চর্বির ক্ষুদ্র বিন্দুগুলো ভেঙ্গে অতিক্ষুদ্র কণায় পরিণত হয়। এ প্রক্রিয়াকে ইমালসিফিকেশন (Emulsification) বলে। এর ফলে লাইপেজের সহযোগিতায় স্নেহ পদার্থ … Read more

পারকিনসন রোগ বলতে কী বোঝায়?

পারকিনসন রোগ মস্তিষ্কের এমন এক অবস্থা, যেখানে হাতে ও পায়ের কাঁপুনি হয় এবং আক্রান্ত রোগীর নড়াচড়া, হাঁটাহাঁটি করতে সমস্যা হয়। এ রোগ সাধারণত 50 বছর বয়সের পরে হয়। তবে ব্যতিক্রম হিসেবে যুবক-যুবতীদেরও হতে পারে। এই ক্ষেত্রে রোগটি তার বংশে রয়েছে বলে ধরা হয়। স্নায়ু কোষ বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ তৈরি করে থাকে, যার একটি হলো … Read more

প্লেগ কি? প্লেগ এর লক্ষণ, বিস্তার ও প্রতিকার

প্লেগ একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ। Yersinia Pestis নামক এক প্রকার ব্যাকটেরিয়া দ্বারা এ রোগ হয়ে থাকে। ইঁদুরের মাধ্যমে এ রোগ বিস্তার লাভ করে। এ রোগের বাহক হচ্ছে Rat flea (Tatera indica) নামক এক প্রকার মাছি। প্লেগ তিন ধরনের হয়ে থাকে। এগুলো হচ্ছে: ১. বিউবোনিক প্লেগ; ২. নিউমোনিক প্লেগ ও ৩. সেফটিসেমিক প্লেগ। এর মধ্যে প্রথম … Read more

প্যারালাইসিস কাকে বলে?

শরীরের কোনো অংশের ঐচ্ছিক মাংসপেশি ইচ্ছামতো নাড়াতে পারার ক্ষমতা নষ্ট হওয়াকে প্যারালাইসিস বলে। সাধারণত মস্তিষ্কের কোনো অংশের ক্ষতির কারণে ঐ অংশের সংবেদন গ্রহণকারী পেশিগুলো কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলে। একজনের আংশিক কিংবা সম্পূর্ণ প্যারালাইসিস হতে পারে, ফলে শরীরের একপাশে কোনো অঙ্গ অথবা উভয় পাশের অঙ্গের কার্যকারিতা নষ্ট হয়, যেমন, দুই হাত ও পায়ের প্যারালাইসিস।   ব্যুৎপত্তি বাংলা … Read more

ইকোলজি কাকে বলে? ইকোলজিক্যাল পিরামিড কত প্রকার?

ইকোলজি (Ecology) : জীববিজ্ঞানের যে বিশিষ্ট শাখায় পরিবেশে বিন্যস্ত বিভিন্ন জীব ও তার পারিপার্শ্বিক জড় উপাদান এবং তাদের পারস্পরিক আন্তঃক্রিয়া, নির্ভরশীলতা ও মিথস্ক্রিয়া সম্পর্কে আলোচনা করা হয় তাকে বাস্তুবিদ্যা বা ইকোলজি বলে। পরিবেশবিজ্ঞানের ইংরেজি পরিভাষা Ecology ইকোলজি। গ্রিক οίκος, ওইকোস অর্থাৎ “বাসস্থান” এবং λόγος লোগোস অর্থাৎ “বিদ্যা” ইংরেজি Ecology পরিভাষাটি এসেছে। ইকোলজি শব্দটি জার্মান বিজ্ঞানী … Read more

শ্বসন বলতে কী বোঝায়? শ্বসন কত প্রকার ও কি কি?

যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জীবকোষস্থ খাদ্যবস্তু অক্সিজেনের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতিতে জারিত হয়ে খাদ্যস্থ রাসায়নিক শক্তিকে গতিশক্তি ও তাপশক্তিতে রূপান্তরিত ও মুক্ত করে এবং কার্বন-ডাইঅক্সাইড ও  পানি উৎপন্ন হয় তাকে শ্বসন বলে। শ্বসন একটি বিপাকীয় ক্রিয়া। এ প্রক্রিয়া চলাকালে প্রতিটি জীব পরিবেশ থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড ত্যাগ করে। নিম্নশ্রেণির কিছু উদ্ভিদ ও প্রাণী … Read more

ফুসফুস কি? ফুসফুসের কাজ কি?

ফুসফুস হচ্ছে শ্বসনতন্ত্রের অন্যতম প্রধান অঙ্গ। ফুসফুসের বায়ুথলি বা অ্যালভিওলাসে পরিবেশের O2 জমা হয় যা রক্তের মাধ্যমে দেহ কোষে পৌঁছায়। আবার এখানে রক্ত হতে আগত কার্বন ডাই-অক্সাইডও জমা হয় যা শ্বাসনালি ও নাসারন্ধ্রের মাধ্যমে পরিবেশে নির্গত হয়।   ফুসফুসের কাজ ফুসফুসের কাজ নিচে উল্লেখ করা হলোঃ ফুসফুসের সাহায্যে প্রাণী পরিবেশ থেকে অক্সিজেনযুক্ত বায়ু গ্রহণ করে … Read more

প্রোক্যারিওটা কাকে বলে? প্রোক্যারিওটা এবং ইউক্যারিওটা এর মধ্যে পার্থক্য কি?

১৯৫৭ সালে বিজ্ঞানী ডগহার্টি নিউক্লিয়াসের গঠন এর উপরে ভিত্তি করে কোষকে দুটি ভাগে ভাগ করেছিলেন। যথা: আদি কোষ বা প্রোক্যারিওটিক কোষ। আদর্শ কোষ বা ইউক্যারিওটিক কোষ। প্রোক্যারিওটা বলতে সুগঠিত নিউক্লিয়াসবিহীন কোষকে বোঝায়। এদের নিউক্লিয়াসে ক্রোমাটিন দানা থাকে। এতে সাধারণত রাইবোসোম ছাড়া অন্য কোনো কোষীয় অঙ্গাণু থাকে না। কোষ বিভাজন অ্যামাইটোসিস পদ্ধতিতে ঘটে। যেমন– ব্যাকটেরিয়ার কোষ।   … Read more

রাইবোসোম কি? রাইবোসোম এর কাজ কি?

রাইবোসোম (Ribosome) হলো ঝিল্লিবিহীন একটি কোষীয় অঙ্গাণু যা প্রোটিন তৈরি করে এবং কোষের প্রয়োজনে বিভিন্ন এনজাইম সরবরাহ করে। প্রাণী ও উদ্ভিদ উভয় প্রকার কোষেই এদের পাওয়া যায়। কোথায় আমিষ সংশ্লেষ হবে তার স্থান নির্ধারণ করা এর কাজ। প্রোটিনের পলিপেপটাইড চেইন সংযোজন এই রাইবোসোমে হয়ে থাকে। আবিষ্কারঃ বিজ্ঞানী ক্লড (Claude) ১৯৪০ সালে এটি সর্বপ্রথম আবিষ্কার করেন। পরে … Read more

গলগণ্ড বলতে কি বুঝ? গলগণ্ড এর লক্ষণ কি?

গলগণ্ড হচ্ছে থাইরয়েড গ্রন্থির এক প্রকার রোগ। এ রোগ হলে গলার থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে যায়। খাদ্যে আয়োডিনের অভাব এ রোগের প্রধান কারণ। বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গ এবং জামালপুরে এ রোগের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি।   গলগণ্ড রোগের লক্ষণ ১. প্রচণ্ড রকম পেশি জড় হওয়া; ২. হৃৎপিন্ডের চলাচল কমে যাওয়া; ৩. অতিরিক্ত ওজন বেড়ে যাওয়া; ৪. কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়া; ৫. … Read more