এনকোডার কাকে বলে? এনকোডার ও ডিকোডারের পার্থক্য কি?

যে ডিজিটাল বর্তনীর মাধ্যমে মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তরিত করা হয় অর্থাৎ আনকোডেড (Uncoded) ডেটাকে কোডেড (Coded) ডেটায় পরিণত করা হয় তাকে এনকোডার (Encoder) বলে। একটি এনকোডারে সর্বোচ্চ 2n সংখ্যক ইনপুট এবং n সংখ্যক আউটপুট থাকে।

এনকোডারে অনেকগুলো ইনপুট থাকে যার মধ্যে একটি ইনপুট সচল থাকে অর্থাৎ যেকোনো মুহূর্তে একটিমাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে।

 

এনকোডার এর ব্যবহার

এনকোডারের সার্কিটসমূহ সাধারণত বিভিন্ন বৈদ্যুতিক ইনপুট ডিভাইস যেমন— কী-বোর্ড, মাউস, মোবাইলফোন ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।

 

এনকোডার ও ডিকোডারের মধ্যে পার্থক্য কি?

এনকোডার ও ডিকোডারের মধ্যে পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো–

  • এনকোডার মানুষের ভাষাকে কম্পিউটারের ভাষায় রূপান্তরিত করে। অপরদিকে, ডিকোডার কম্পিউটারের ভাষাকে মানুষের ভাষায় রূপান্তরিত করে।
  • এনকোডার কি-বোর্ডের সাথে যুক্ত থাকে। অপরদিকে ডিকোডার কম্পিউটার মেমোরিতে যুক্ত থাকে।
  • এনকোডার 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট প্রদান করে। অপরদিকে, ডিকোডার n টি ইনপুট থেকে 2n টি আউটপুট প্রদান করে।